বেনাপোলে ‘ধানমণ্ডি ৩২ : পোড়াবাড়ির সংলাপ’ বই বহনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। বইটি নিয়ে কী ঘটেছে, জানুন বিস্তারিত।
এফ এম শাহীন জানান, গত সপ্তাহে তাঁর পরিচিত ওই ব্যক্তি কলকাতা থেকে কয়েকটি বই নিয়ে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরছিলেন। এ সময় তাঁকে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং একপর্যায়ে গ্রেফতারের ভয় দেখানো হয়। তাঁর সঙ্গে থাকা ‘ধানমণ্ডি ৩২ : পোড়াবাড়ির সংলাপ’ বইটি বাংলাদেশে নেওয়ার ক্ষেত্রে আপত্তি জানানো হয়।
ঘটনার পর বইটি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ কি না—এ প্রশ্ন তুলেছেন লেখক।
এ বিষয়ে এফ এম শাহীন বলেন, বইটি যদি নিষিদ্ধ হয়ে থাকে, তাহলে কোন আইনের অধীনে, কোন সরকারি আদেশ বা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তা নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সেটি স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। আর যদি বইটি নিষিদ্ধ না হয়ে থাকে, তাহলে একজন নাগরিককে সেটি বহনে বাধা দেওয়ার আইনি ভিত্তিও জানানো উচিত।
লেখক এফ এম শাহীন ফেসবুকে লেখেন, আমি ক্ষোভ প্রকাশ করতে চাই না। নিন্দাও করতে চাই না। কারণ, যে দেশে আজ বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ করাও যেন এক ধরনের অপরাধে পরিণত হয়; যে দেশে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ক্রমশ আড়াল করার চেষ্টা চলছে; যে দেশে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, ইতিহাস ও স্থাপনাগুলোই নির্বাসনের পথে সেখানে ধানমণ্ডি ৩২-এর ধ্বংসস্তূপ নিয়ে লেখা একটি বইও হয়তো অস্বস্তিকর হয়ে উঠতেই পারে।
তিনি বলেন, ধানমণ্ডি ৩২-এর মতো একটি ঐতিহাসিক স্থান নিয়ে লেখা বই যদি সীমান্তে আটকে দেওয়া হয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—ইতিহাসের কোনো অধ্যায় কি বই আটকে দেওয়ার মাধ্যমে আড়াল করা সম্ভব?
‘ধানমণ্ডি ৩২ : পোড়াবাড়ির সংলাপ’ বইটিকে লেখক একটি ঐতিহাসিক স্মৃতি ও ধ্বংসস্তূপের সাক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, একটি বই কেবল কাগজে মুদ্রিত কিছু শব্দ নয়; অনেক সময় তা হয়ে ওঠে একটি সময়ের দলিল।
প্রকাশক গৌতম দাস বলেন, 'কাজটি ভীষণ নিন্দনীয় ও দুঃখজনক। বইটি ভারত কিংবা বাংলাদেশে নিষিদ্ধ নয়, তাই কোনভাবেই কোন পাঠককে বই বহনে বাঁধা কেউ দিতে পারে না। এই বাংলাদেশকে আমাদের ভীষণ অচেনা মনে হচ্ছে।'
তবে বেনাপোল স্থলবন্দর, ইমিগ্রেশন পুলিশ কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ ঘটনার বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এফ এম শাহীন জানান, গত সপ্তাহে তাঁর পরিচিত ওই ব্যক্তি কলকাতা থেকে কয়েকটি বই নিয়ে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরছিলেন। এ সময় তাঁকে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং একপর্যায়ে গ্রেফতারের ভয় দেখানো হয়। তাঁর সঙ্গে থাকা ‘ধানমণ্ডি ৩২ : পোড়াবাড়ির সংলাপ’ বইটি বাংলাদেশে নেওয়ার ক্ষেত্রে আপত্তি জানানো হয়।
ঘটনার পর বইটি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ কি না—এ প্রশ্ন তুলেছেন লেখক।
এ বিষয়ে এফ এম শাহীন বলেন, বইটি যদি নিষিদ্ধ হয়ে থাকে, তাহলে কোন আইনের অধীনে, কোন সরকারি আদেশ বা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তা নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সেটি স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। আর যদি বইটি নিষিদ্ধ না হয়ে থাকে, তাহলে একজন নাগরিককে সেটি বহনে বাধা দেওয়ার আইনি ভিত্তিও জানানো উচিত।
লেখক এফ এম শাহীন ফেসবুকে লেখেন, আমি ক্ষোভ প্রকাশ করতে চাই না। নিন্দাও করতে চাই না। কারণ, যে দেশে আজ বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ করাও যেন এক ধরনের অপরাধে পরিণত হয়; যে দেশে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ক্রমশ আড়াল করার চেষ্টা চলছে; যে দেশে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, ইতিহাস ও স্থাপনাগুলোই নির্বাসনের পথে সেখানে ধানমণ্ডি ৩২-এর ধ্বংসস্তূপ নিয়ে লেখা একটি বইও হয়তো অস্বস্তিকর হয়ে উঠতেই পারে।
তিনি বলেন, ধানমণ্ডি ৩২-এর মতো একটি ঐতিহাসিক স্থান নিয়ে লেখা বই যদি সীমান্তে আটকে দেওয়া হয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—ইতিহাসের কোনো অধ্যায় কি বই আটকে দেওয়ার মাধ্যমে আড়াল করা সম্ভব?
‘ধানমণ্ডি ৩২ : পোড়াবাড়ির সংলাপ’ বইটিকে লেখক একটি ঐতিহাসিক স্মৃতি ও ধ্বংসস্তূপের সাক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, একটি বই কেবল কাগজে মুদ্রিত কিছু শব্দ নয়; অনেক সময় তা হয়ে ওঠে একটি সময়ের দলিল।
প্রকাশক গৌতম দাস বলেন, 'কাজটি ভীষণ নিন্দনীয় ও দুঃখজনক। বইটি ভারত কিংবা বাংলাদেশে নিষিদ্ধ নয়, তাই কোনভাবেই কোন পাঠককে বই বহনে বাঁধা কেউ দিতে পারে না। এই বাংলাদেশকে আমাদের ভীষণ অচেনা মনে হচ্ছে।'
তবে বেনাপোল স্থলবন্দর, ইমিগ্রেশন পুলিশ কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ ঘটনার বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন