৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আগামী বছরের সুবর্ণ জয়ন্তীকে সামনে রেখে মেলা প্রাঙ্গণেই স্থায়ী ‘বইতীর্থ’ গড়তে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা জানাল রাজ্য সরকার।
২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এবারের কলকাতা বইমেলা। এবছর মেলার থিম-কান্ট্রি আর্জেন্টিনা। বইপ্রেমীদের জন্য মেলায় থাকছে প্রায় ১১০০টি স্টল। আগামী বছর কলকাতা বইমেলা পা দিতে চলেছে ৫০ বছরে, সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতেই এই স্থায়ী ‘বইতীর্থ’ গড়ার পরিকল্পনা বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।
উদ্বোধনী মঞ্চ থেকেই বিরোধীদের সমালোচনার কড়া জবাব দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের জীবনযাত্রার স্বচ্ছতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তাঁর একমাত্র আয় বইয়ের রয়্যালটি থেকে। সাতবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েও মাসে দেড় লক্ষ টাকা পেনশন পাওয়ার সুযোগ থাকলেও গত ১৫ বছরে তিনি এক পয়সাও নেননি। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেও সরকারের কাছ থেকে কোনো বেতন নেন না বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, সার্কিট হাউসে থাকলেও নিজের পকেট থেকেই ভাড়া দেন, এমনকি নিজের চায়ের খরচও নিজে বহন করেন। যারা তাঁকে গালাগালি করে, তাদের ‘মগজে মরুভূমি রয়েছে’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।
পাশাপাশি রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের এসআইআর প্রক্রিয়া ও সাধারণ মানুষের হয়রানি নিয়েও সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। কবি জয় গোস্বামী বা বিশিষ্টজনদের এসআইআর শুনানিতে ডাকার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, অমর্ত্য সেনের মতো ব্যক্তিত্বকে বাবা-মায়ের বয়সের ফারাক নিয়ে প্রশ্ন করা অত্যন্ত লজ্জাজনক। এই ধরনের হয়রানি কোনওভাবেই কাম্য নয় বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। তবে শান্তি বজায় রেখে বইমেলা চলুক, সেই বার্তাও দেন মুখ্যমন্ত্রী।
বক্তব্যের শেষে সকলকে শান্তিপূর্ণভাবে বইমেলায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, প্রত্যেকের কথা বলার ও আলোচনা করার অধিকার রয়েছে। বাংলা স্বাধীনতা আন্দোলনের পুণ্যভূমি, তাই এখানে সংস্কৃতি ও চিন্তার মিলনমেলাই হোক—এই প্রত্যাশাই রাখেন তিনি।
![]() |
| উদ্বোধনের পর বইমেলা ঘুরে দেখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফেসবুক পেজ থেকে। |
কলকাতা : বৃহস্পতিবার প্রদীপ জ্বালিয়ে ৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উদ্বোধনী মঞ্চ থেকেই আগামী বছরের সুবর্ণ জয়ন্তীকে সামনে রেখে এক বড়সড় ঘোষণায় তিনি জানালেন, বইমেলা প্রাঙ্গণেই স্থায়ীভাবে গড়ে তোলা হবে ‘বইতীর্থ’। এই প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকারের তরফে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। লক্ষ্য, আগামী বছর ৫০তম কলকাতা বইমেলার আগেই এই ‘বইতীর্থ’ নির্মাণ সম্পূর্ণ করা, যা বইমেলার পরিকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি সারাবছর বই ও পাঠচর্চার একটি কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।
২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এবারের কলকাতা বইমেলা। এবছর মেলার থিম-কান্ট্রি আর্জেন্টিনা। বইপ্রেমীদের জন্য মেলায় থাকছে প্রায় ১১০০টি স্টল। আগামী বছর কলকাতা বইমেলা পা দিতে চলেছে ৫০ বছরে, সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতেই এই স্থায়ী ‘বইতীর্থ’ গড়ার পরিকল্পনা বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।
উদ্বোধনী মঞ্চ থেকেই বিরোধীদের সমালোচনার কড়া জবাব দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের জীবনযাত্রার স্বচ্ছতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তাঁর একমাত্র আয় বইয়ের রয়্যালটি থেকে। সাতবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েও মাসে দেড় লক্ষ টাকা পেনশন পাওয়ার সুযোগ থাকলেও গত ১৫ বছরে তিনি এক পয়সাও নেননি। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেও সরকারের কাছ থেকে কোনো বেতন নেন না বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, সার্কিট হাউসে থাকলেও নিজের পকেট থেকেই ভাড়া দেন, এমনকি নিজের চায়ের খরচও নিজে বহন করেন। যারা তাঁকে গালাগালি করে, তাদের ‘মগজে মরুভূমি রয়েছে’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।
পাশাপাশি রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের এসআইআর প্রক্রিয়া ও সাধারণ মানুষের হয়রানি নিয়েও সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। কবি জয় গোস্বামী বা বিশিষ্টজনদের এসআইআর শুনানিতে ডাকার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, অমর্ত্য সেনের মতো ব্যক্তিত্বকে বাবা-মায়ের বয়সের ফারাক নিয়ে প্রশ্ন করা অত্যন্ত লজ্জাজনক। এই ধরনের হয়রানি কোনওভাবেই কাম্য নয় বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। তবে শান্তি বজায় রেখে বইমেলা চলুক, সেই বার্তাও দেন মুখ্যমন্ত্রী।
বক্তব্যের শেষে সকলকে শান্তিপূর্ণভাবে বইমেলায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, প্রত্যেকের কথা বলার ও আলোচনা করার অধিকার রয়েছে। বাংলা স্বাধীনতা আন্দোলনের পুণ্যভূমি, তাই এখানে সংস্কৃতি ও চিন্তার মিলনমেলাই হোক—এই প্রত্যাশাই রাখেন তিনি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন