ধর্মতলার সিধো-কানহু ডহরে শুরু হল চিত্রসাংবাদিকদের ছবি প্রদর্শনী ‘চিত্র যেথা ভয়শূন্য’। ১৩০ জন চিত্রসাংবাদিকের ২৬৫টি প্রকাশিত ও অপ্রকাশিত ছবিতে ধরা পড়েছে কলকাতা ও সময়ের নানা মুহূর্ত।
অনেক সময় কথায় বা লেখায় যে অনুভূতি স্পষ্ট করে প্রকাশ করা যায় না, তা নিঃশব্দে অথচ গভীরভাবে বুঝিয়ে দেয় একটি ছবি। রাজনীতি, খেলা বা বিনোদনের জগৎ থেকে শুরু করে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা কিংবা ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ— প্রতিটি মুহূর্তের আবেগ ও অভিব্যক্তি চিত্রসাংবাদিকের ক্যামেরার ফ্রেমে নিখুঁতভাবে ধরা পড়ে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ছবিগুলিই হয়ে ওঠে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দলিল। প্রতিদিন খবরের সন্ধানে ক্যামেরা কাঁধে নিয়ে যাঁরা রাজপথে ঘুরে বেড়ান এবং বিপদের তোয়াক্কা না করে সময়ের জরুরি মুহূর্তগুলিকে ফ্রেমবন্দি করেন, সেই সব চিত্রসাংবাদিকদের তোলা ছবিই এবার জায়গা পেয়েছে রাজপথের প্রদর্শনীতে।
ধর্মতলার সিধো-কানহু ডহরে ১৩০ জন নবীন ও প্রবীণ চিত্রসাংবাদিকের তোলা মোট ২৬৫টি প্রকাশিত ও অপ্রকাশিত ছবি নিয়ে সাজানো হয়েছে প্রদর্শনী ‘চিত্র যেথা ভয়শূন্য’। বৃহস্পতিবার এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন হয়। গত কয়েক বছর ধরেই সরস্বতী পুজোর সময়ে কলকাতা ফোটোজার্নালিস্টস’ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ধর্মতলার কাছে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হচ্ছে। এখানে চিত্রসাংবাদিকদের বিভিন্ন সময়ের স্মরণীয় কাজ জায়গা পেয়েছে। মাদার টেরেসা ও উত্তম কুমারের প্রয়াণের সাদা-কালো ছবি থেকে শুরু করে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মুহূর্ত, ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে কর্মরত সাংবাদিকদের পেশাদারিত্বের নিদর্শন এবং শহর কলকাতার উৎসব-আনন্দের রঙিন রূপ— সবই ধরা পড়েছে ক্যামেরার ফ্রেমে। আয়োজনের মধ্যে বাহুল্য না থাকলেও ভাবনায় স্পষ্ট এক নিজস্বতার ছাপ রয়েছে।
গ্যালারি বা মেলার পরিসরে নয়, এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হচ্ছে কলকাতার ব্যস্ত রাজপথ সংলগ্ন ফুটপাথে। ফোটোজার্নালিস্টস’ অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি পিন্টু প্রধান জানান, গ্যালারিতে চিত্র প্রদর্শনী করলে দর্শকসংখ্যা সীমিত থাকে। কিন্তু শহরের ব্যস্ততম রাস্তায় ছবি সাজালে তা স্বাভাবিকভাবেই পথচলতি মানুষের চোখে পড়ে এবং অনেক বড় পরিসরে পৌঁছনো সম্ভব হয়। খবরের কাগজে পাঠক খবর পড়লেও বহু সময় সেই খবরের সঙ্গে ছবি থাকে না, আবার সব তোলা ছবিও প্রকাশ করা যায় না। সেই অপ্রকাশিত ছবিগুলিও সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ। চিত্রসাংবাদিকরা যেহেতু রাস্তায় নেমেই কাজ করেন, তাই তাঁদের ইচ্ছা পথচলতি সকল মানুষই যেন তাঁদের তোলা ছবিগুলি দেখতে পান।
প্রদর্শনী শুরু হওয়ার পর থেকেই দেখা যাচ্ছে, অনেক পথচলতি মানুষ সেখানে থমকে দাঁড়িয়ে ছবিগুলি দেখছেন। এ দিন প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দফতরের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। উপস্থিত ছিলেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম, বিধায়ক দেবাশিস কুমার-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। এই প্রদর্শনী চলবে আগামী ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। কোথাও সাদা-কালো ফ্রেমে ধরা পড়েছে সময়ের ভারী মুহূর্ত, কোথাও আবার উৎসবমুখর কলকাতার নানা দৃশ্য, আবার কোথাও ক্রীড়াজগতের উত্তেজনাময় ছবি। শুধু রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটই নয়, উৎসব, প্রকৃতি ও নানা ফিচার মিলিয়ে বহুমাত্রিক বাস্তবতাই ফুটে উঠেছে ‘চিত্র যেথা ভয়শূন্য’ প্রদর্শনীর প্রতিটি ফ্রেমে।
অনেক সময় কথায় বা লেখায় যে অনুভূতি স্পষ্ট করে প্রকাশ করা যায় না, তা নিঃশব্দে অথচ গভীরভাবে বুঝিয়ে দেয় একটি ছবি। রাজনীতি, খেলা বা বিনোদনের জগৎ থেকে শুরু করে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা কিংবা ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ— প্রতিটি মুহূর্তের আবেগ ও অভিব্যক্তি চিত্রসাংবাদিকের ক্যামেরার ফ্রেমে নিখুঁতভাবে ধরা পড়ে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ছবিগুলিই হয়ে ওঠে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দলিল। প্রতিদিন খবরের সন্ধানে ক্যামেরা কাঁধে নিয়ে যাঁরা রাজপথে ঘুরে বেড়ান এবং বিপদের তোয়াক্কা না করে সময়ের জরুরি মুহূর্তগুলিকে ফ্রেমবন্দি করেন, সেই সব চিত্রসাংবাদিকদের তোলা ছবিই এবার জায়গা পেয়েছে রাজপথের প্রদর্শনীতে।
ধর্মতলার সিধো-কানহু ডহরে ১৩০ জন নবীন ও প্রবীণ চিত্রসাংবাদিকের তোলা মোট ২৬৫টি প্রকাশিত ও অপ্রকাশিত ছবি নিয়ে সাজানো হয়েছে প্রদর্শনী ‘চিত্র যেথা ভয়শূন্য’। বৃহস্পতিবার এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন হয়। গত কয়েক বছর ধরেই সরস্বতী পুজোর সময়ে কলকাতা ফোটোজার্নালিস্টস’ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ধর্মতলার কাছে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হচ্ছে। এখানে চিত্রসাংবাদিকদের বিভিন্ন সময়ের স্মরণীয় কাজ জায়গা পেয়েছে। মাদার টেরেসা ও উত্তম কুমারের প্রয়াণের সাদা-কালো ছবি থেকে শুরু করে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মুহূর্ত, ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে কর্মরত সাংবাদিকদের পেশাদারিত্বের নিদর্শন এবং শহর কলকাতার উৎসব-আনন্দের রঙিন রূপ— সবই ধরা পড়েছে ক্যামেরার ফ্রেমে। আয়োজনের মধ্যে বাহুল্য না থাকলেও ভাবনায় স্পষ্ট এক নিজস্বতার ছাপ রয়েছে।
গ্যালারি বা মেলার পরিসরে নয়, এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হচ্ছে কলকাতার ব্যস্ত রাজপথ সংলগ্ন ফুটপাথে। ফোটোজার্নালিস্টস’ অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি পিন্টু প্রধান জানান, গ্যালারিতে চিত্র প্রদর্শনী করলে দর্শকসংখ্যা সীমিত থাকে। কিন্তু শহরের ব্যস্ততম রাস্তায় ছবি সাজালে তা স্বাভাবিকভাবেই পথচলতি মানুষের চোখে পড়ে এবং অনেক বড় পরিসরে পৌঁছনো সম্ভব হয়। খবরের কাগজে পাঠক খবর পড়লেও বহু সময় সেই খবরের সঙ্গে ছবি থাকে না, আবার সব তোলা ছবিও প্রকাশ করা যায় না। সেই অপ্রকাশিত ছবিগুলিও সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ। চিত্রসাংবাদিকরা যেহেতু রাস্তায় নেমেই কাজ করেন, তাই তাঁদের ইচ্ছা পথচলতি সকল মানুষই যেন তাঁদের তোলা ছবিগুলি দেখতে পান।
প্রদর্শনী শুরু হওয়ার পর থেকেই দেখা যাচ্ছে, অনেক পথচলতি মানুষ সেখানে থমকে দাঁড়িয়ে ছবিগুলি দেখছেন। এ দিন প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দফতরের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। উপস্থিত ছিলেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম, বিধায়ক দেবাশিস কুমার-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। এই প্রদর্শনী চলবে আগামী ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। কোথাও সাদা-কালো ফ্রেমে ধরা পড়েছে সময়ের ভারী মুহূর্ত, কোথাও আবার উৎসবমুখর কলকাতার নানা দৃশ্য, আবার কোথাও ক্রীড়াজগতের উত্তেজনাময় ছবি। শুধু রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটই নয়, উৎসব, প্রকৃতি ও নানা ফিচার মিলিয়ে বহুমাত্রিক বাস্তবতাই ফুটে উঠেছে ‘চিত্র যেথা ভয়শূন্য’ প্রদর্শনীর প্রতিটি ফ্রেমে।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন