প্রবীণ সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে এক্সারসাইজ বাইকে সাইক্লিং করার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। নজর কাড়ল লেখকের ফিটনেস সচেতনতা।
বইতন্ত্র : সাধারণত বাঙালি সাহিত্যিকদের আমরা কল্পনা করি বই, লেখা আর নিভৃত মননের জগতে ডুবে থাকা মানুষ হিসেবে। শরীরচর্চা বা ফিটনেসের সঙ্গে তাঁদের নাম খুব একটা জড়ায় না। কিন্তু সেই ধারণাকেই যেন নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করলেন বর্ষীয়ান সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে তাঁর একটি ভিডিও, যেখানে দেখা যাচ্ছে তিনি নিজের বাড়িতেই এক্সারসাইজ বাইকে সাইক্লিং করছেন। বয়সের ভার সত্ত্বেও তাঁর এই ফিটনেস সচেতনতা নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
ভিডিওটি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন সাংবাদিক কৃষ্ণেন্দু অধিকারী। তিনি পোস্টে লিখেছেন, ‘কবি-সাহিত্যিক মাত্রই উদাসীন। বোহেমিয়ান। শরীর সরিয়ে তাঁর মনে মন বেশি। অল্প বয়সের এই ধারণা পরে পাল্টেছে। মাইকেল থেকে সুনীল-শক্তির আখ্যানের উল্টো পথও কম দীর্ঘ নয়! স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ কৈশোরে নিয়মিত কুস্তি করতেন! ক'দিন আগে, কাজের সূত্রে গিয়েছিলাম, যোধপুর পার্কে। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে। দরজা খুলে একজন জানালেন, উনি নাকি সাইকেল চালাচ্ছেন। সাহিত্যিকের শরীরচর্চা ! কৌতূহল সামলানো কঠিন!’ তাঁর এই পোস্টের সঙ্গে থাকা ভিডিও ইতিমধ্যেই প্রায় ৭০ হাজারের বেশি ভিউ পেয়েছে এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে।
বাঙালি লেখকদের ব্যক্তিগত জীবনের এমন দৃশ্য খুব কমই প্রকাশ্যে আসে। ফলে একজন প্রবীণ সাহিত্যিকের বাড়িতে বসেই নিয়মিত শরীরচর্চা করার দৃশ্য অনেকের কাছেই নতুন এবং অনুপ্রেরণামূলক বলে মনে হয়েছে। নেটিজেনদের অনেকেই মন্তব্য করেছেন, বয়স যতই হোক, শরীরকে সচল রাখার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেই বার্তাই যেন এই ভিডিও নতুন করে মনে করিয়ে দিল।
শীর্ষেন্দুবাবু নিজে বলছেন, “ডস্টয়েভস্কি শেষ বয়সে শরীর ভেঙে পড়ায় বলেছিলেন , শরীর যে কত বড় সম্পদ তা আমি আজ বুঝি। শরীর আমাদের একমাত্র আশ্রয় । শত প্রতিভা থাকলেও শরীর বাদ সাধলে সব বৃথা হয়ে যায় । শরীরকে সক্ষম রাখতে তাই শরীরচর্চা অপরিহার্য । আলসেমি ছেড়ে সকলেরই একটুআধটু শরীরচর্চা করা প্রয়োজন । আমি এই নব্বই বছর বয়সেও জীবনের অঙ্গ হিসেবে একটুআধটু ব্যায়াম করি । সবাইকে তা করারও পরামর্শ দিই ।”
ইনডোর সাইক্লিং বা এক্সারসাইজ বাইকে প্যাডেল করা আসলে অত্যন্ত কার্যকর একটি কার্ডিও এক্সারসাইজ। এটি হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে, শরীরের স্ট্যামিনা বৃদ্ধি করে এবং নিয়মিত করলে ওজন নিয়ন্ত্রণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া হাঁটু বা জয়েন্টের উপর তুলনামূলক কম চাপ পড়ে বলে বয়স বাড়ার পরেও অনেকেই এই ধরনের ব্যায়াম সহজে করতে পারেন। বিশেষ করে বাড়িতে বসেই নিরাপদভাবে শরীরচর্চা করার সুযোগ থাকায় ইনডোর সাইক্লিং এখন অনেকের কাছেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
৯০ বছরের লেখক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের ভাইরাল ভিডিওটি এক ধরনের অনুপ্রেরণাও বটে। সাহিত্য, চিন্তা আর সৃজনশীলতার পাশাপাশি শরীরের যত্ন নেওয়াও যে সমান জরুরি—এই বার্তাই দিচ্ছেন বাংলার এই বর্ষীয়ান লেখক। অনেক নেটিজেনই মন্তব্য করেছেন, তাঁর লেখার মতোই তাঁর জীবনযাপনও প্রেরণাদায়ক। বয়সকে তুচ্ছ করে সক্রিয় থাকার এই মনোভাবই হয়তো দীর্ঘদিন সৃষ্টিশীল থাকার অন্যতম রহস্য।
বইতন্ত্র : সাধারণত বাঙালি সাহিত্যিকদের আমরা কল্পনা করি বই, লেখা আর নিভৃত মননের জগতে ডুবে থাকা মানুষ হিসেবে। শরীরচর্চা বা ফিটনেসের সঙ্গে তাঁদের নাম খুব একটা জড়ায় না। কিন্তু সেই ধারণাকেই যেন নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করলেন বর্ষীয়ান সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে তাঁর একটি ভিডিও, যেখানে দেখা যাচ্ছে তিনি নিজের বাড়িতেই এক্সারসাইজ বাইকে সাইক্লিং করছেন। বয়সের ভার সত্ত্বেও তাঁর এই ফিটনেস সচেতনতা নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
ভিডিওটি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন সাংবাদিক কৃষ্ণেন্দু অধিকারী। তিনি পোস্টে লিখেছেন, ‘কবি-সাহিত্যিক মাত্রই উদাসীন। বোহেমিয়ান। শরীর সরিয়ে তাঁর মনে মন বেশি। অল্প বয়সের এই ধারণা পরে পাল্টেছে। মাইকেল থেকে সুনীল-শক্তির আখ্যানের উল্টো পথও কম দীর্ঘ নয়! স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ কৈশোরে নিয়মিত কুস্তি করতেন! ক'দিন আগে, কাজের সূত্রে গিয়েছিলাম, যোধপুর পার্কে। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে। দরজা খুলে একজন জানালেন, উনি নাকি সাইকেল চালাচ্ছেন। সাহিত্যিকের শরীরচর্চা ! কৌতূহল সামলানো কঠিন!’ তাঁর এই পোস্টের সঙ্গে থাকা ভিডিও ইতিমধ্যেই প্রায় ৭০ হাজারের বেশি ভিউ পেয়েছে এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে।
বাঙালি লেখকদের ব্যক্তিগত জীবনের এমন দৃশ্য খুব কমই প্রকাশ্যে আসে। ফলে একজন প্রবীণ সাহিত্যিকের বাড়িতে বসেই নিয়মিত শরীরচর্চা করার দৃশ্য অনেকের কাছেই নতুন এবং অনুপ্রেরণামূলক বলে মনে হয়েছে। নেটিজেনদের অনেকেই মন্তব্য করেছেন, বয়স যতই হোক, শরীরকে সচল রাখার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেই বার্তাই যেন এই ভিডিও নতুন করে মনে করিয়ে দিল।
শীর্ষেন্দুবাবু নিজে বলছেন, “ডস্টয়েভস্কি শেষ বয়সে শরীর ভেঙে পড়ায় বলেছিলেন , শরীর যে কত বড় সম্পদ তা আমি আজ বুঝি। শরীর আমাদের একমাত্র আশ্রয় । শত প্রতিভা থাকলেও শরীর বাদ সাধলে সব বৃথা হয়ে যায় । শরীরকে সক্ষম রাখতে তাই শরীরচর্চা অপরিহার্য । আলসেমি ছেড়ে সকলেরই একটুআধটু শরীরচর্চা করা প্রয়োজন । আমি এই নব্বই বছর বয়সেও জীবনের অঙ্গ হিসেবে একটুআধটু ব্যায়াম করি । সবাইকে তা করারও পরামর্শ দিই ।”
ইনডোর সাইক্লিং বা এক্সারসাইজ বাইকে প্যাডেল করা আসলে অত্যন্ত কার্যকর একটি কার্ডিও এক্সারসাইজ। এটি হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে, শরীরের স্ট্যামিনা বৃদ্ধি করে এবং নিয়মিত করলে ওজন নিয়ন্ত্রণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া হাঁটু বা জয়েন্টের উপর তুলনামূলক কম চাপ পড়ে বলে বয়স বাড়ার পরেও অনেকেই এই ধরনের ব্যায়াম সহজে করতে পারেন। বিশেষ করে বাড়িতে বসেই নিরাপদভাবে শরীরচর্চা করার সুযোগ থাকায় ইনডোর সাইক্লিং এখন অনেকের কাছেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
৯০ বছরের লেখক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের ভাইরাল ভিডিওটি এক ধরনের অনুপ্রেরণাও বটে। সাহিত্য, চিন্তা আর সৃজনশীলতার পাশাপাশি শরীরের যত্ন নেওয়াও যে সমান জরুরি—এই বার্তাই দিচ্ছেন বাংলার এই বর্ষীয়ান লেখক। অনেক নেটিজেনই মন্তব্য করেছেন, তাঁর লেখার মতোই তাঁর জীবনযাপনও প্রেরণাদায়ক। বয়সকে তুচ্ছ করে সক্রিয় থাকার এই মনোভাবই হয়তো দীর্ঘদিন সৃষ্টিশীল থাকার অন্যতম রহস্য।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন